আমরা টেনিদা, ঘনাদার কথা পড়েছি...ফেলুদাও পড়েছি... আজ শুনব পটলাদার কথা। না ইনি কোনও গুলবাজ দাদা বা গোয়েন্দা নন। তবে টেনিদা বা ফেলুদার সাথে এনার দুটি মিল আছে। ইনি ক্রিকেট খেলতেন ( বাকি দুজন ও খেলেছেন), আর এঁর জন্ম কলকাতায়। ১৯১৮ সালের ১৬ জুন। বেছে থাকলে ৯৮-৯৯ বছর বয়স হত। সে যাই হোক। বাঙালি হলেও বাংলার হয়ে কোনও দিন ক্রিকেট খেলেননি। খেলেছেন বিহারের হয়ে। সাথে আরও দুই ভাই বিরাজ আর বিকাশ। এরাও দুজনে বিহারের হয়েই রঞ্জী খেলেছেন। আজ থেকে ৫০-৫৫ বছর আগে ওড়িশা বা বিহার আসামের দলে প্রায় ৮-৯ জন করে বাঙালি খেলোয়াড় খেলতেন। বিহারের অধিনায়ক ছিলেন শুটে ব্যানার্জী। বিহার ভাল দল না হলেও এঁদের জন্য রঞ্জী সেমিফাইনাল বা কোয়ার্টার ফাইনাল দু এক বার খেলেছে। পটলা দা মানে বিমলকৃষ্ণ বসু ছাড়া একসময় পূর্বাঞ্চল দল তৈরি হত না তাই ১৯৪০-৪১ থেকে ১৯৬৩-৬৪ সাল পর্যন্ত মাত্র ৪৫ টা প্রথম শ্রেণির খেলা খেললেও তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুবার, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একবার, এম.সি.সি.র বিরুদ্ধে একবার আর কমনওয়েলথ দলের বিরুদ্ধে তিনবার খেলেছেন। ৩৮ টি রঞ্জী ম্যাচে ২০৫ টা উইকেট পান তিনি। তার আগে রঞ্জী তে বিহারের হয়ে কেউ এত উইকেট পায়নি...তার পরে পেয়েছেন অবিনাশ কুমার।
পটলা দার এক জন দাদাও ছিল। তিনিও ক্রিকেট খেলতেন কিন্তু প্রথম শ্রেণি খেলার সুযোগ পাননি। পাবেন কি করে ? তার আগে দেশের জন্য আরও বড় টেস্ট খেলতে গিয়ে যে আউট হয়ে গেলেন। আজও তার নাম আমাদের ছোটোবেলা থেকে জানতে হয়। কলকাতায় থাকতে গেলে রোজ সেই নাম শুনতে হয়।
পশ্চিম প্রান্তের ভারত যখন চরকা কেটে মুক্তির আলো খুঁজছে তখন কলকাতায় কান পাতলে রাইটার্সের অলিন্দে শোনা যায় গুলির শব্দ। সিম্পসন কে আউট করে পটলা দার দাদা স্বেছায় আউট হলেন ...ব্রিটিশ দের হাতে ধরা দেবেন না বলে। কোনও দিন টেস্ট না খেলেও তাই বিমল কৃষ্ণ বসু কোনও আফশোষ করেন নি। ১৯৩২ এ ভারত টেস্ট খেলে। বাংলা রঞ্জী শুরু করে ৩৫ সালে। বেচে থাকলে হয়ত ১৯৩৯ সালে রঞ্জী জয়ী দলের সদস্য হতেন। কিন্তু তার থেকে অনেক বড় টেস্টে ঝড় তুলে বিদায় নেন বিনয় কৃষ্ণ বসু। বিনয় বাদল দিনেশের বিনয়। পটলা দার বড়দা।
যারা বলে ফুটবল স্বাধীনতায় প্রেরণা জুগিয়েছে আর ক্রিকেট কোনও দিন এদিকে যায়নি; ব্রিটিশদের বন্ধুরাই এই খেলা খেলত তাদের একটু অন্য স্বাদ দেওয়ার জন্য এই লেখা। পটলা দা ১৯৯৬ সালে পাটনায় মারা যান।
পটলা দার এক জন দাদাও ছিল। তিনিও ক্রিকেট খেলতেন কিন্তু প্রথম শ্রেণি খেলার সুযোগ পাননি। পাবেন কি করে ? তার আগে দেশের জন্য আরও বড় টেস্ট খেলতে গিয়ে যে আউট হয়ে গেলেন। আজও তার নাম আমাদের ছোটোবেলা থেকে জানতে হয়। কলকাতায় থাকতে গেলে রোজ সেই নাম শুনতে হয়।
পশ্চিম প্রান্তের ভারত যখন চরকা কেটে মুক্তির আলো খুঁজছে তখন কলকাতায় কান পাতলে রাইটার্সের অলিন্দে শোনা যায় গুলির শব্দ। সিম্পসন কে আউট করে পটলা দার দাদা স্বেছায় আউট হলেন ...ব্রিটিশ দের হাতে ধরা দেবেন না বলে। কোনও দিন টেস্ট না খেলেও তাই বিমল কৃষ্ণ বসু কোনও আফশোষ করেন নি। ১৯৩২ এ ভারত টেস্ট খেলে। বাংলা রঞ্জী শুরু করে ৩৫ সালে। বেচে থাকলে হয়ত ১৯৩৯ সালে রঞ্জী জয়ী দলের সদস্য হতেন। কিন্তু তার থেকে অনেক বড় টেস্টে ঝড় তুলে বিদায় নেন বিনয় কৃষ্ণ বসু। বিনয় বাদল দিনেশের বিনয়। পটলা দার বড়দা।
যারা বলে ফুটবল স্বাধীনতায় প্রেরণা জুগিয়েছে আর ক্রিকেট কোনও দিন এদিকে যায়নি; ব্রিটিশদের বন্ধুরাই এই খেলা খেলত তাদের একটু অন্য স্বাদ দেওয়ার জন্য এই লেখা। পটলা দা ১৯৯৬ সালে পাটনায় মারা যান।
পটলাদার একখানা ছবি পোস্ট করবেন কাইন্ডলি, যদি সম্ভব হয়।
ReplyDelete