Thursday, 30 June 2016

জন উইজডেন, লিলিহোয়াইট এবং প্রথম টেস্ট

জন উইজডেন তার জীবদ্দশায় এই বার্ষিকীকে খুব একটা ভাল অবস্থায় দেখে যাননি। কারন তিনি বিভিন্ন বিষয়ে মেতে থাকতেন। লেমিংটনের একটা মাঠের সাথে তার ভাল মত যোগাযোগ ছিল। ১৮৫৯ সালে তিনি ইংল্যান্ডএর প্রথম কানাডা ও আমেরিকা সফরে যান। তার একটা তামাকজাত দ্রব্য এবং ক্রীড়া সরঞ্জামের ডিপো ছিল লন্ডনের হে মার্কেটে। তিনি নিজে ছিলেন একজন পেশাদার ফাস্ট বোলার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। ফ্রেড লিলিহোয়াইট ১৮৪৯ সাল থেকে ক্রিকেটারস গাইড বলে একটা অ্যালমানাক বার করতেন। উইজডেন নিজে ১৮৫৫ থেকে ১৮৫৮ অবধি সেখানে যুক্তও ছিলেন। কিন্তু ১৮৬০ এর দশকে ফ্রেড কে সরিয়ে ক্রিকেটারদের ফান্ড ও ফ্রেন্ডলি সোসাইটির সম্পাদক হতেই সাথে সম্পর্ক বিগড়ে গেল। এ ব্যাপারে ইতিহাস বিদেরা খুব বেশি কিছু আলোচনা করেননি কারন লিলিহোয়াইট দের বই ১৯০০ সালে বন্ধ হয়ে যায় আর উইজডেনএর ব্যাপারে সবাইতো জানে। কিন্তু বিষয়টা এতটাও সহজ নয়।
         ১৮৬৪ সালে উইজডেন প্রকাশ শুরু হল। ১৮৬৫ তে লিলিহোয়াইট দের বই তে লেখা হল উইজডেন সম্পর্কে যে একসময় তিনি ভালই ছিলেন। কিন্তু এখন নাকি "দেশের জন্য" তেমন কিছুই করছেন না। এই সংস্থার (লিলিহোয়াইট ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি) বই গুলি একটু সীমা ছাড়িয়ে ক্রিকেটারদের সমালোচনা করা হত। যদিও প্রথম "উইজডেন" ( যার আসল নাম ছিল ' The Cricketers almanac for the year of 1864 being Bissextile or leap year,and the 28th of the reign of Her majesty Queen Victoria) লিলিহোয়াইটের খুব একটা মাথা ব্যাথার কারন হয়নি। এই বই ডার্বি, ওকস এবং সেন্ট লেজারের ঘোড়ার রেস, চীনের ইতিহাস, গোলাপের  যুদ্ধ এই সব নিয়েও লিখেছিল। কিন্তু গোটা ১৮৭০ এর দশক ধরে লিলি হোয়াইটদের সাথে এটা রীতিমত ঠাণ্ডা লড়াই চালাচ্ছিল।
      ১৮৭৮ সালে যখন ইংল্যান্ড থেকে প্রথম প্রতিনিধিত্ব মূলক সফরে যাওয়া হল অস্ট্রেলিয়ায় তখন উইজডেনের সম্পাদক নাইট গোটা সফর কে নিয়ে লিখলেন বটে কিন্তু ছড়িয়ে ছিটিয়ে আলাদা আলাদা অংশে। এবং যাকে  পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট ম্যাচ বলে ধরা হয়, তা প্রায় অনুল্লেখিত থেকে গেল।
এমনকি নাইটের মৃত্যু(১৮৭৯) এর পর যখন জর্জ ওয়েস্ট সম্পাদক হলেন তখনও ১৮৮০ সালের খেলা গুলির সাথে কয়েকটা মাত্র লাইন লিখলেন গোটা সফর কে নিয়ে।
    এখন প্রশ্ন হল কেন? কেউ কেউ বলেন যে ১৮৭২ সালের পরবর্তীকালে যখন সমুদ্রের তলাদিয়ে টেলেগ্রাফ লাইন পাতা হয় তার খরচা ছিল খুব বেশি ফলে উইজডেন তখন জাহাজ গুলিতে পাওয়া যায় এমন কাগজ ব্যাবহার করেতেন যেমন "লিডার", "অস্ট্রেলিয়ান", "স্পোর্টসম্যান" প্রভৃতি।
    আসলে তা নাও হতে পারে। সেই সময় উইজডেন দাবি করত যে তারা তাদের পুরোন প্রতিষ্ঠিত  প্রতিদ্বন্ধি দের প্রচার সংখ্যার নিরিখে পিছনে ফেলে দিয়েছে ঠিক তখন জেমস লিলিহোয়াইট জুনিয়র তার দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যান এবং সেখানে ভিক্টোরিয়া ও নিউ সাউথ ওয়েলসএর যৌথ দলের বিরুদ্ধে যে ম্যাচ খেলেন তাই ১৮৯৫ সালে প্রথম টেস্ট ম্যাচের সন্মান পায়। যেহেতু লিলিওহোয়াইট এর দল তাই উইজডেন ঐ বিষয়ে কিছুই লেখেনি।
  ইতমধ্যে ফ্রেড লিলিহোয়াইটের মৃত্যু হওয়াতে (১৮৬৬) জন লিলিহোয়াইট তৈরি করেছেন "জন লিলহোয়াইট ক্রিকেটারস কম্প্যানিয়ন"। তারা আবার দাবি করত যে তাদের গ্রন্থ খেলাটির সর্ববৃহৎ বার্ষিকী অন্যান্য দের তুলনায়। আবার এও বলত যে বাকিরা নাকি "ফ্যাক্ট" এর প্রতি খুব একটা নজর দেয় না। ফলে তাদের ১৮৭৮ সালের সংস্করণে তারা ১৮৭৭ এর ঐ ম্যাচ গুলির পূর্ণ খবর ছাপে।
         ১৯০০ সালে তাদের প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গেলেও তাদের ভুত উইজডেন কে তাড়া করে বেড়াত। কারন ১৯৩০ সালে কেইন যখন সম্পাদক তখন উইসডেন দাবি করেছিল যে ১৮৭৭ সালের লিলিহোয়াইট বা ১৮৭৮-৭৯ সালের লর্ড হ্যারিসের দল কোনটাই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারন প্রথম দল ছিল আর্থিক উদ্দেশ্যে তৈরি আর দ্বিতীয় দল চরম অপেশাদার। মনে রাখবে স্পফোর্থ  এই দলের বিরুদ্ধে হ্যাট্রিক করেছিল যা টেস্টে প্রথম বলে ধরা হয়।
  মজার ব্যাপার । এর ফলে ১৮৮০ সালের লর্ডস টেস্ট কে তাহলে প্রথম বলে ধরতে হয়। কিন্তু তা তারা কোনোদিন ধরেনি। ধরেছে কিন্তু ১৮৭৭ কেই । কারন? দীর্ঘদিন ধরে উইজডেনের পরিসংখ্যানবিদ ছিলেন সিডনি সাউদারটন। যার বাবা জেমস সাউদারটন ঐ ১৮৭৭ এর খেলায় ছিলেন ( মনে রাখবেন জর্জীয় যুগের যে কজন হাতে গোনা ক্রিকেটার টেস্ট খেলেছেন ইনি তাদের একজন।আজও সবথেকে বেশি বয়সে টেস্ট এ অভিষেকের রেকর্ড এর নামে আছে।)। এমন কি ১৯৭১ সালের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক খেলা কেও উইজডেন গুরুত্ব দেয়নি। সংক্ষিপ্ত স্কোর ছেপে ছিল। যাই হোক ১৮৮২-৮৩ সালের সফরে লিলিহোয়াইটরা ২৩ পাতা ছাপলেও উইজডেন এক পাতাও লেখেনি।
       ১৮৮৪ তে জন উইডেন অবিবাহিত অবস্থায় মারা গেলেন। তার ম্যানেজার হেনরি লাফ এর দায়িত্ব নিলেন। উইজডেন আস্তে আস্তে পেশাদার হল।
      অনেক পরে ১৯৭৭ সালে শতবার্ষিকী টেস্ট এর সময় তারা ব্রাকেটে ঐ টেস্টের সাথে ১৮৭৭ সালের ম্যাচের পুরো স্কোর ছাপে।
     

Thursday, 2 June 2016

দ্বাদশ ব্যক্তি (প্রথম পর্ব) ------ লেখক অজ্ঞাত---- প্রথম প্রকাশ বয়ে'জ বুক অফ ক্রিকেট - ১৯৫৩ অনুবাদ - সুমিত গাঙ্গুলী

  জন বেকার , স্কুলের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক, তাড়াতাড়ি হাঁটছিল, দাঁড়িয়ে পড়ল ফিল ক্রসকে সামনে দেখে।
            "কি ব্যাপার?" সে জিজ্ঞাসা করল।
    " দল তৈরি হয়ে গেছে?"--- ফিল ওর সাথে যেতে যেতে জিজ্ঞাসা করল।
   " হয়ে গেলে বোর্ডেই দেখতে পেতে"
   "এখনি কি দল বাছা হবে?"---
  "হ্যাঁ। কেন?"--
   "ও"--- ফিল বলল --" আসলে আমাকে নেবে না এটা আমি জানি। যাই হোক, তবু তোমাকে বলি-- আ-আমি খেলতেও চাই না"
        ক্যাপ্টেন দাঁড়িয়ে পড়ল।
" তুমি বলতে কি চাও বলত?"
"আমি আগামিকাল খেলতে চাই না"
"বাহ! বেশ প্রশংসনীয়"- জন বলল।"তার মানে দলে রাখলেও তুমি খেলবে না।"
" না না ---- তা বলিনি। দলে রাখলে খেলব। আসলে আমি চাই না আমাকে দলে রাখা হোক।"
"কেন?"
"দলে রাখার যোগ্য আমি নই।"
"সেটা নির্বাচন সমিতি সিদ্ধান্ত নিক।"
"আমি জানি -কিন্তু- যাই হোক আমি নিশ্চিত।আমি দলে থাকলে একজন যোগ্য খেলোয়াড় বাদ পড়বে।"
"ঠিক কার কথা বলছ তুমি?"
ফিল একটু ইতস্ততঃ বোধ করল---
"তুমি জান আমি কার কথা বলছি" সে বলল-" মানে এমন নয় যে মরিস আমার খুব ভাল বন্ধু।ও সত্যিই আমার থেকে ভাল খেলে"।
"স্বীকার করছি ওর খেলার মধ্যে একটা সাবলীলতা আছে" জন বলল- "কিন্তু ব্যাপারটা আমাদের কে ছেড়ে দাও কে সেরা"।

 
      বাকি নির্বাচন সমিতি জনের অপেক্ষায় ছিল।"আমার মনে হয়না বেশিক্ষন লাগবে"-সে বলল-"দল তো  তৈরিই আছে"।
 ড্যান হোমস - সহ-অধিনায়ক মাথা নাড়ল- " আগেরবারের মতো"-" দরকার শুধু বব টারনারের বিকল্প,যতক্ষণ না সে সারছে"।
  " সারবে না"--- মিস্টার ওয়েব বললেন,তিনি ক্রীড়া শিক্ষক, নির্বাচনী সভার পরামর্শদাতা, ভোট দেননা।"আমি এক্ষুনি ডাক্তারের সাথে কথা বললাম, সেতো বলল কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আর আমার ভয়" --- চিন্তিত ভাবে বললেন "আদৌ বাকি মরসুমে ওকে পাবো কিনা"।
   "তবে"---- বিড়বিড় করল কমিটির তৃতীয় সদস্য পিটার স্টোন।
"তবে টা শুধু ওর না...... আমাদের জন্যও বটে"। জন বলল-- "সমস্যা, আর কেউ তেমন আছে কি যে প্রথম দলে খেলতে পারবে?"
          "ফিল ক্রস"- ড্যান বলল।
         "মরিস থরপ"--- পিটার বলল, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই।
        " ফিল ভাল ব্যাট করে"--- ড্যানের যুক্তি।
   " বিরাট কিছু না"---- পিটার বলল- "মরিস অনেক ভাল ফিল্ডার,সামান্য বলও করে"।
"আমাদের ওর বোলিং এর দরকার নেই" --জন বলল।"ওটা প্রথম দলের মানের নয়"।
"তাহলে মনে হয় ফিলই ঠিক আছে" -----ড্যান বলল।"আমরা তো মেনে নিয়েছি ও ভাল ব্যাট করে"।
    "ওতে এমন কিছু বাহাদুরি নেই"---- পিটার বলল---"মরিস অনেক ভাল স্লিপ ফিল্ডার-স্কুলের সেরা- আর সবাই জানে---ক্যাচেস উইন ম্যাচেস"।
"ফিল খারাপ ফিল্ডার না"--- ড্যান প্রতিবাদ করল।
পিটার মাথা নেড়ে বলল " জানি ও প্রথম দলের যোগ্য কিন্তু তাও বলব যে মরিস ওর থেকে ভাল। ওর ফিল্ডিং ১০-২০ রান আটকে দেবে। ফিল ভাল ব্যাট করবে কিনা এটা বলা মুস্কিল"।
      সবাই খানিক চুপ।
"তোমার কি মত বেকার?"--- মিস্টার ওয়েব জিজ্ঞাসা করলেন।
"আমি ঠিক করতে পারিনি" জন আস্তে আস্তে বলল,"কোনও সন্দেহ নেই ফিল ভাল ব্যাট করে,আর মরিস অনেক ভাল ফিল্ডার"----"প্রশ্ন হল কাকে নেব? আপনি কি ভাবছেন স্যার?"
"আমি বলতে চাই না যদিও" ক্রীড়া শিক্ষক বললেন" যা বললে সবই ঠিক, যদি বল ......... ভাগ্য ভাল আমি ভোট দিই না... তবুও থরপই সঠিক, ও ভাল ফিল্ডার "।
" ফিল খুব একটা খারাপ না" ড্যান আপত্তি করল।
"আমি জানি"---- মিস্টার ওয়েব বলল" ও একজন সাবলীল ফিল্ডার,কিন্তু থরপ ওর থেকেও সাবলীল, ও ক্রিকেট পাগল, এটা ওর বাবারই দোষ"।
    "দোষ?" ---জন আহত হল একটু যেন।
    মিস্টার ওয়েব হেসে উঠলেন," তুমি ওর ক্লাসে গিয়ে কথা বল- যে কোনও বিষয়ে, ও ক্রিকেট ছাড়া কিছু বঝে না। ওর রক্তে ক্রিকেট, তাই বোধ হয় ও অত ভাল ফিল্ডার, ওর ফিল্ডিং দেখলেও অনেক কিছু শেখা যায়"।
       কিছুক্ষন সবাই চুপ।তারপর জন ধিরে ধিরে বলল" জানি আমরা আর একটা ব্যাপার ভেবে দেখতে পারি কিনা----- ফিল কিন্তু দলে থাকতে চায় না"।
          "কী?" ড্যান আর পিটার চমকে উঠলো।
 জন সব কিছু খুলে বলল।তারপর বলল " এটা বোঝাই  যাচ্ছে যে ওরা খুব ভাল বন্ধু আর ফিল জানে এই ম্যাচ নিয়ে মরিসের আগ্রহ কত। ওর বাবা ওল্ড বয়েসের ক্যাপ্টেন--- আর এটাই আসল ব্যাপার নয় কি?"
" ওর বাবা এটা শুনলে খুশি হবে না যে তার ছেলেকে এই কারনে দলে নেওয়া হচ্ছে"---মিস্টার ওয়েব বললেন।
  " আমি জানি,এটা আমি বলতামও না যদি না ফিল আমাকে বলত, প্রশ্ন হল আমরা কি এমন কাউকে দলে নেব যে খেলতে চায় না?"
" ও খুবই দয়ালু"---- ড্যান বলল" ও বলেনি যে দলে রাখলে খেলবে?"
"হ্যাঁ" জন বলল - একটু চুপ করে বলল--- "ভোট হক","ফিল ক্রসের পক্ষে?"
"আমি" -ড্যান বলল।
"মরিস থরপ?"--
"আমি "---পিটার বলল।
ওয়েব বললেন" আমার দিকে দেখ না , কাস্টিং ভোট দাও জন"
জন বলল "আর একটা ব্যাপার হতে পারে"।"দু জনকেই নেটে ট্রায়ালে ডাকলে কেমন হয়?"
" ভাল হয় "---মিস্টার ওয়েব বললেন।
"কিন্তু পাব কোথায় ওদের?"
"নোটিস বোর্ডের দশ গজের মধ্যে"   অধিনায়ক বলল।

জেন্টলম্যান বনাম প্লেয়ারসঃ পরিসংখ্যানে প্রথম যুগ

শতরানঃ জেন্টলম্যান- ১
             প্লেয়ারস- ৭
অর্ধশতরানঃ জেন্টলম্যান- ২৫
                   প্লেয়ারস- ৩৫
     
           সর্বচ্চো-দলগত - 
       প্লেয়ারস রা ৩০০ এর বেশি রান করেছে মোট ৭ বার। সবথেকে বেশি ৩৯৪ রান ১৮৬০ সালে লর্ডসে একমাত্র ইনিংসে। 
      জেন্টলম্যান কোনওবারই ৩০০ করতে পারেনি।২৭৬ রান সবথেকে বেশি। ১৮৬২ সালে ওভালে প্রথম ইনিংসে।
      
          সেই যুগে ১০০ এর কমে দল হামেশাই আউট হত। তাই সর্বনিম্ন হিসেবে ৫০ রানকে মাপ কাঠি করলে দেখা যাচ্ছে যে অপেশাদাররা ৮ বার ৫০ এর কমে আউট হয়েছে। সবথেকে কম ৩১। ১৮৪৮ সালে লর্ডসে প্রথম ইনিংসে। পেশাদাররা মাত্র তিন বার ৫০ এর কম করেছে। সর্বনিম্ন ২৪। ১৮২৯ সালে লর্ডসে প্রথম ইনিংসে।
     
    ৫ উইকেট ও এক ইনিংসে অনেক বার হয়েছে। তাই ৭ উইকেটকে মাপকাঠি করলে দেখা যাবে যে দু দলের হয়ে মোট ২১ বার ৭ উইকেট হয়েছে। যার মধ্যে প্লেয়ারসদের  ১৪ বার আর জেন্টলম্যান ৭ বার। একা লিলিহোয়াইট ১০ বার এই কাজ করেছেন। ৯ বার প্লেয়ারস আর ১ বার জেন্টলম্যানের পক্ষে।
    
  ম্যাচে ১০ উইকেট ২৩ বার। প্লেয়ারস দের পক্ষে ১৫ বার । জেন্টলম্যানদের পক্ষে ৮ বার। লিলিহোয়াইট প্লেয়ারসদের জন্য ৭ বার আর জেন্টলম্যানদের জন্য ১ বার করেছেন।
   
              যাই হোক।এই সময় থেকে এই খেলা জাকিয়ে বসে এবং এই খেলার জন্যই ক্রিকেট ভিক্টোরীয় যুগে ইংল্যান্ডের জাতীয় খেলা হয়ে যায়। পরবর্তী প্রায় ৮৫ বছর এই খেলার গুরুত্ব ছিল মারাত্মক। কিন্তু ১৯৫০ থেকে এই খেলা গুরুত্ব হারায়। ঐ সময় কে নিয়ে পরে অবশ্যই লিখব।