কোচবিহারের মহারাজা জগদ্বিপেন্দ্রনারায়ন (১৯১৫-১৯৭০) বাংলার অধিনায়ক হন ।মোট ১৫ টা ম্যাচ খেলেন। তাঁর মধ্যে ৮ টায় অধিনায়ক।
এরপর বাংলার অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার কমল ভট্টাচার্য দুটি ম্যাচে অধিনায়ক হন। যে ১৬ জন বাংলার খেলোয়াড় রঞ্জী তে ১০০ উইকেট পেয়েছেন ইনি তাদের একজন।
এরপর বাংলার অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার কমল ভট্টাচার্য দুটি ম্যাচে অধিনায়ক হন। যে ১৬ জন বাংলার খেলোয়াড় রঞ্জী তে ১০০ উইকেট পেয়েছেন ইনি তাদের একজন।
এরপরে অধিনায়ক সুশীল বসু। ১৫ টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ৩টী ম্যাচে বাংলার ক্যাপ্টেন।
নির্মল চ্যাটারজি। নাম শুনলেই কিরকম একটা লাগে। ফজল মামুদ কে পিটিয়ে সেঞ্চুরী করা এই ক্রিকেটারটি তৎকালীন বাংলার সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু মাত্র ৫টা খেলায় অধিনায়ক।
সম্ভবতঃ শাকিব আল হাসানের আগে এর থেকে বড় অলরাউন্ডার বাংলাভাষীদের মধ্যে আর আসেনি। মাশরফি বিন মুরতাজা তাঁর সেরা সময়ে যত জোরে বল করত তাঁর থেকে অনেক জোরে বল ইনি করতেন। দুবারের রঞ্জী জয়ী মহারাস্ট্র কে ৪১ এ অল আউট, টেনিসন, রাইডার বা অস্ট্রেলীয় সেনা দলের বিরুদ্ধে দারুন পারফরমেন্স বা ১১ নম্বরে নেমে ১০০ কিংবা বিহার রঞ্জী ফাইনালে তোলা সব ই তাঁর কৃতিত্ব। তাঁর জন্যই পূর্বাঞ্চল ওয়েস্ট ইন্ডিজ কে ১০ উইকেটে হারায়।কিন্তু ইনি বাংলাকে মাত্র একবার ই নেতৃত্ব দেন। শরদিন্দুনাথ ব্যানারজি।লোকে তাকে চেনে শুটে বলে। সেই '৩০, '৪০ এর দশকে যখন খেলা খুবই কম হত তখন প্রথম শ্রেনিতে ৩৭১৫ রান আর ৩৮৫ টা উইকেট শুনলে একটু অবাক হতে হয়। মনে রাখবেন আজও ভারতে বছরে ১৫ টা ম্যাচ খেলা খুব কঠিন।
সি.এস. নাইডু, সি.কের ভাই বাংলার হয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন তিনটি খেলায়।
পূর্ববাংলার ঢাকাতে একটা জায়গা আছে। তাঁর নাম ভাগ্যকুল। সেখানকার রায় পরিবার ব্যবসায়ি হিসেবে খুব বিখ্যাত। পরে তাঁরা খেলাধুলাতেও নাম করেন। তিন তিন জন টেস্ট খেলোয়াড় এসেছে এই পরিবার থেকে। তাদের মধ্যে যিনি সেরা তিনি বাংলার ও সেরা। পঙ্কজলাল রায়। দক্ষ রাইট উইঙ্গার টি I.F.A. এর হয়ে বার্মার বিরুদ্ধে গোল করেন এবং বার্ষিক যে ইউরপিয়ান বনাম ইন্ডিয়ান খেলা হত তাতেও শেষ দুবছর গোল করেন। তাঁর সাথে লেফট উইঙ্গার খেলতেন অজয় বসু। যাই হোক তিনি রঞ্জী তে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন। তারপর সেঞ্চুরি করেন হোলকার আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর বিরুদ্ধে। অবশেষে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভার্সিটি দলের হয়ে অধিনায়ক হিসেবে ৮৯ করেন। এবং টেস্ট খেলেন। ১৯৫১-১৯৬০ এর প্রথম দিক অবধি ৪৩ টি টেস্ট এ ২৪৪২ রান করেন ৫ টি সেঞ্চুরি সহ। সাথে বিশ্বরেকর্ড।প্রথম উইকেট এ ৪১৩ রানের (একজন বাঙালির করা রেকর্ড ভাঙল ১১ জন বাঙ্গালির হাতে)। যাই হোক প্রথম বাঙালি হিসেবে ১০,০০০ রান প্রথম শ্রেণির খেলায় (মোট ১১,৮৬৮ - ৩৩ টি শতরান সহ ) এবং টেস্ট জগতে প্রথম বাঙালি অধিনায়ক আজ রঞ্জিতে সর্বাধিক খেলায় অধিনায়ক। ৪৩ টি তে।
রঞ্জীতে প্রথম এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার প্রথম রেকর্ড করেন প্রেমাংশু চ্যাটারজি। প্রথম শ্রেনিতে ৩২ ম্যাচে ১৩৪ উইকেট নেওয়া এই বোলার ৪ টে খেলায় বাংলার অধিনায়ক হন।
বাংলার আর এক শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান শ্যামসুন্দর মিত্র মাত্র টা খেলায় ক্যাপ্টেন ছিলেন যদিও দুই দশক তাঁর মত ব্যাটসম্যান ছিলই না প্রায়।৫০ গড়ে ৩০০০ এর বেশি রান ৭টা সেঞ্চুরি সহ। তিনি টেস্ট খেলেননি এটা ভারতের লজ্জা
।
কাকার মতই বড় ব্যাটসম্যান ছিলেন অম্বর রায়। চারটে টেস্ট খেলেছেন, প্রথম শ্রেণি তে ৭০০০ রান করেছেন ১৮টা সেঞ্চুরি সহ। ২৪টি খেলায় বাংলার অধিনায়ক। তাঁর বাহাতি বাংলা তো বটেই ভারতে কম এসেছে।
আজ তবে এইটুকু থাক/ বাকি কথা পরে হবে।
রঞ্জীতে প্রথম এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার প্রথম রেকর্ড করেন প্রেমাংশু চ্যাটারজি। প্রথম শ্রেনিতে ৩২ ম্যাচে ১৩৪ উইকেট নেওয়া এই বোলার ৪ টে খেলায় বাংলার অধিনায়ক হন।
বাংলার আর এক শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান শ্যামসুন্দর মিত্র মাত্র টা খেলায় ক্যাপ্টেন ছিলেন যদিও দুই দশক তাঁর মত ব্যাটসম্যান ছিলই না প্রায়।৫০ গড়ে ৩০০০ এর বেশি রান ৭টা সেঞ্চুরি সহ। তিনি টেস্ট খেলেননি এটা ভারতের লজ্জা
।
কাকার মতই বড় ব্যাটসম্যান ছিলেন অম্বর রায়। চারটে টেস্ট খেলেছেন, প্রথম শ্রেণি তে ৭০০০ রান করেছেন ১৮টা সেঞ্চুরি সহ। ২৪টি খেলায় বাংলার অধিনায়ক। তাঁর বাহাতি বাংলা তো বটেই ভারতে কম এসেছে।
আজ তবে এইটুকু থাক/ বাকি কথা পরে হবে।
No comments:
Post a Comment