তখন আমি অনেক ছোট। টেলিভিশন এ দেখতাম একজন গায়িকা গান করছেন " ঝিল মিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি" , আর বাড়িতে সবাই বলতো উনি নাকি সবিতা চৌধুরী। তারপর যখন ক্লাস সেভেন এ পড়ার সময় সলিল চৌধুরীর ভক্ত হয়ে উঠলাম তখন থেকেই আমি সবিতা চৌধুরীর ভক্ত। সেই " প্রজাপ্রতি প্রজাপতি","সুরের ঝর্ণা","মরি হায় গো ","মার্ ঝাড়ু মার্","রাত কুহেলি","তোরা সুন্দর স্বামী পাবি","বৌ কথা কও", "এনে দে এনে দে ঝুমকা" তালিকা বোধ হয় শেষ হবে না। এই সব গান শুনেই বড় হয়েছি।
তার অনেক পরে যখন প্রথম ওনাকে স্টেজ এ দেখলাম সেই একই রকম ভাবে গেয়ে যাচ্ছেন এবং কোনো রেওয়াজ ছাড়াই। আর কত অজস্র অমূল্য স্মৃতি। মনে আছে "এ ফর কে"(অমিত ফর কিশোর ) তে যখন অমিত দা বলছেন " কি বলে ডাকবো? সবিতা চৌধুরী ? সবিতা আন্টি ? না সবিতা কাকিমা ? " বলেই গান ধরলেন "ও মেরি প্রাণ সজনী চম্পাবতী আজা " ... আর উনিও অন্তরায় ধরলেন --সেই হুবহু অন্নদাতার রেকর্ড এর মতো "হায় ম্যায় সারি মজবুরিয়া / ক্যাইসে বতাউ পিয়া আজ তুমহে "---ওফ সে এক স্মৃতি। তার পর আলাপ হয়েছে। কথা হয়েছে। ওনার বাড়ি গেছি। এই তো বছর খানেক আগে তমাল সলিল চৌধুরীর ওপর ডকুমেন্টারি করলো। তখন সাখ্যাৎকার নিলাম। উনি আমাদের বই দিলেন। আর ওনার গানের সিডি। তার পরেও দেখা হয়েছে। সলিল চৌধুরীর ৯০ বছর উপলক্ষ্যে অনুষ্টানে, গোর্কি সদনে। ওফ "মেলে পুমালে " যা গেয়েছিলেন সেখানে । আর কত গল্প। প্রতিটা গানের গল্প বলতেন। শেষ বার দেখা হলো এক ডাক্তারি সংগঠনের অনুষ্টানে। এল সিডির স্লাইড আমি করেছিলাম। আমাকে বলেছিলেন "আমাকে দিয়ে যাস" ..... দেওয়া হয়নি।
কাল সকালে চন্দন ফোন করে দুঃসংবাদ টা দিল । তারপর শুভাশিস। তীর্থঙ্কর দাকে ফোন করে জানলাম ওনাকে প্রথমে রবীন্দ্র সদনে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর শ্মশান। গেলাম। আমি যখন রবীন্দ্রসদনে ঢুকছি তখন গান হচ্ছে " যা রে যা যা /মন পাখি/ জারে যা উড়ে দিলাম ছেড়ে/ আর তোরে প্রাণ খাঁচায় বেঁধে রাখবো না দিলাম ছেড়ে / জারে জারে যা /" .
সোজা ভিতরে দেখি অন্তরা দি দাঁড়িয়ে। মুখে বিষণ্ণ হাসি। আমার খুব কষ্ট লাগছিল। " সেই খুকুমনি গো শোনা" মনে পড়ছিল। কথা বললাম।
তারপর পিপি দা (সঞ্জয় চৌধুরী ) এলেন। সেখান থেকে ওনারা শ্মশান গেলেন। আমি বাস ধরে পৌঁছতে পৌঁছতে শেষ হয়েগিয়েছিল।
ওখানে দেবপ্রিয় ছিল. বললো " আর কেউ গাইবে না " মরি হায়গো". "ও মেরি প্রাণ সজনী" র আর কেউ রইলো না."
পিপি দা শুধু বললো কিছু শেষ না. সংগীত শেষ নয়, সবিতা চৌধুরী বাস্তবে আর নেই কিন্তু তার কণ্ঠ আজ আছে, থাকবে আরো বহু দিন.
" তুমি কি কখনো / সেই গান শোনো/ যে গান কানেতে শোনা / যায় না কখনো। ......"
তার অনেক পরে যখন প্রথম ওনাকে স্টেজ এ দেখলাম সেই একই রকম ভাবে গেয়ে যাচ্ছেন এবং কোনো রেওয়াজ ছাড়াই। আর কত অজস্র অমূল্য স্মৃতি। মনে আছে "এ ফর কে"(অমিত ফর কিশোর ) তে যখন অমিত দা বলছেন " কি বলে ডাকবো? সবিতা চৌধুরী ? সবিতা আন্টি ? না সবিতা কাকিমা ? " বলেই গান ধরলেন "ও মেরি প্রাণ সজনী চম্পাবতী আজা " ... আর উনিও অন্তরায় ধরলেন --সেই হুবহু অন্নদাতার রেকর্ড এর মতো "হায় ম্যায় সারি মজবুরিয়া / ক্যাইসে বতাউ পিয়া আজ তুমহে "---ওফ সে এক স্মৃতি। তার পর আলাপ হয়েছে। কথা হয়েছে। ওনার বাড়ি গেছি। এই তো বছর খানেক আগে তমাল সলিল চৌধুরীর ওপর ডকুমেন্টারি করলো। তখন সাখ্যাৎকার নিলাম। উনি আমাদের বই দিলেন। আর ওনার গানের সিডি। তার পরেও দেখা হয়েছে। সলিল চৌধুরীর ৯০ বছর উপলক্ষ্যে অনুষ্টানে, গোর্কি সদনে। ওফ "মেলে পুমালে " যা গেয়েছিলেন সেখানে । আর কত গল্প। প্রতিটা গানের গল্প বলতেন। শেষ বার দেখা হলো এক ডাক্তারি সংগঠনের অনুষ্টানে। এল সিডির স্লাইড আমি করেছিলাম। আমাকে বলেছিলেন "আমাকে দিয়ে যাস" ..... দেওয়া হয়নি।
কাল সকালে চন্দন ফোন করে দুঃসংবাদ টা দিল । তারপর শুভাশিস। তীর্থঙ্কর দাকে ফোন করে জানলাম ওনাকে প্রথমে রবীন্দ্র সদনে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর শ্মশান। গেলাম। আমি যখন রবীন্দ্রসদনে ঢুকছি তখন গান হচ্ছে " যা রে যা যা /মন পাখি/ জারে যা উড়ে দিলাম ছেড়ে/ আর তোরে প্রাণ খাঁচায় বেঁধে রাখবো না দিলাম ছেড়ে / জারে জারে যা /" .
সোজা ভিতরে দেখি অন্তরা দি দাঁড়িয়ে। মুখে বিষণ্ণ হাসি। আমার খুব কষ্ট লাগছিল। " সেই খুকুমনি গো শোনা" মনে পড়ছিল। কথা বললাম।
তারপর পিপি দা (সঞ্জয় চৌধুরী ) এলেন। সেখান থেকে ওনারা শ্মশান গেলেন। আমি বাস ধরে পৌঁছতে পৌঁছতে শেষ হয়েগিয়েছিল।
ওখানে দেবপ্রিয় ছিল. বললো " আর কেউ গাইবে না " মরি হায়গো". "ও মেরি প্রাণ সজনী" র আর কেউ রইলো না."
পিপি দা শুধু বললো কিছু শেষ না. সংগীত শেষ নয়, সবিতা চৌধুরী বাস্তবে আর নেই কিন্তু তার কণ্ঠ আজ আছে, থাকবে আরো বহু দিন.
" তুমি কি কখনো / সেই গান শোনো/ যে গান কানেতে শোনা / যায় না কখনো। ......"


Aamar Pronam janai.
ReplyDelete